বেশ কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের স্বার্থকে প্রধান্য দিয়ে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।

মাহদী আমিনপ্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র
বেশ কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের স্বার্থকে প্রধান্য দিয়ে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।

বৈশ্বিক নানা কারণে দেশে জ্বালানির মূল্য বাড়ানো হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের ওপর যাতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি রয়েছে। বাসভাড়া নিয়ন্ত্রণে সরকার কার্যকর ভূমিকা নেবে।

যদি জনগণের জন্য ভালোবাসা থাকে, তবে সংকটকালে এই সাড়ে ৪০০ গাড়ির জ্বালানি কেন অপচয় করা হলো? এই জ্বালানি তো জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা যেত।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পণ্যমূল্যে তেমন প্রভাব পড়বে না বলে মনে করছি। অসাধু ব্যবসায়ীরা যাতে এই পরিস্থিতির সুযোগ নিতে না পারে, সেজন্য কঠোর মনিটরিং করা হবে।

তারেক রহমানের জায়গায় অন্য কেউ থাকলে তেল ৭০০ টাকা লিটার হতো। উনি কিন্তু তেলের দাম বাড়াতেই চায় নাই। দেশের মানুষ চেয়েছে যে তেলের দাম বাড়ুক।

জুলাই সনদ ইস্যুতে কিছু রাজনৈতিক দল বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। তারা বলছে, সংখ্যাধিক্যের ভিত্তিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করছে বিএনপি, এটি সম্পূর্ণ ভুল। নোট অব ডিসেন্টসহ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে।

আমাদের এত মেধাবী চিকিৎসক থাকা সত্ত্বেও
কেন রোগীদের ভারত, থাইল্যান্ড কিংবা
অন্য কোনো দেশে গিয়ে বিপুল পরিমাণ
বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করতে হবে?

পুলিশের প্রশংসা করতে পারি,
তারা ১২ ঘণ্টার মধ্যে আসামি গ্রে'প্তার
করতে পেরেছে। রামিসার মতোই
অভিযুক্ত হ'ত্যার বি'চার দ্রুততম
সময়ে করা হবে।

নির্বাচনের আগে বিএনপি এক কোটি কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিলেও দেশে সেই কর্মসংস্থান হয়নি। বরং সিএনজি স্টেশন, বাসস্ট্যান্ড ও হাট-বাজারে চাঁদাবাজি নিশ্চিত হয়েছে।

মাগুরার প্রশাসনের বিভিন্ন কাজকর্মে দেখতে পাচ্ছি, বিএনপির নির্যাতিত ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে ছাত্রলীগ ও জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

লক্ষ-কোটি জনতা আবার রাজপথে বেরিয়ে এসে নতুন করে বলবে, শেখ হাসিনা তুমি বিদায় হয়েছ, তোমার পথে তারেক রহমান রওয়ানা দিয়েছে। তারেক তুমি কবে যাবে, বাংলাদেশ মুক্তি পাবে।

লংমার্চ থেকে বিরত থাকেন। জনতার কাতারে আসেন। মসজিদে বসে বয়ান করবেন, রাজনীতি করবেন—ওই দিন শেষ। ফিল্ডে কাজ, বাস্তবে কাজ, মাঠে কাজ করতে হবে।

বাংলাদেশের কোনো নাগরিক যেকোনো সময় দেশ ছাড়তে এবং ফিরতে পারেন। সংবিধানে এ অধিকার স্পষ্টভাবে দেওয়া রয়েছে। তবে দেশে ফেরার পর সরকারের পদক্ষেপ কী হবে, তা সরকারই নির্ধারণ করবে।

“শুক্র ও শনি, এই দুই দিন আমাকে এলাকায় যেতে হয়। এলাকার মানুষের প্রতি আমার দায়িত্ব আছে। এই দুই দিন বাদ দিয়ে খোলার যেকোনো দিন বলবেন, আমি অবশ্যই যাব। আপনাদের কথা শুনব।”

অপরাধীকে সাজা দেওয়ার পাশাপাশি অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সামাজিক কারণগুলোও বিশ্লেষণ করতে হবে। অপরাধের উৎসে সমাধান নিশ্চিত করা গেলে সমাজে অপরাধের হার কার্যকরভাবে কমানো সম্ভব।

কেউ যদি আমাকে বলে, ১০ বছর জেল খাটবে, নাকি আরামে দেশের বাইরে গিয়ে জীবন কাটাবে; আমি নির্দ্বিধায় ১০ বছর জেল খাটাকেই বেছে নেব। এক টাকা যদি দেশের বাইরে পাওয়া যায়, আমি ওই দিনই রাজনীতি ছেড়ে দেব।
