ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত অবসানে কোনো চুক্তি না হলে যুদ্ধ আরও তীব্র করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে চুক্তি না হলে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়ার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প এসব কথা বলেন।

ভাষণে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে ট্রাম্প দাবি করেন, তেহরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেই তার প্রশাসন সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরানের সঙ্গে সংঘাতের অবসানে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারলে যুক্তরাষ্ট্র আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর তার প্রশাসন ইরানের সঙ্গে একটি শান্তিচুক্তিতে পৌঁছাতে পারবে।

এর আগে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়াতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের প্রতি আহ্বান জানান ট্রাম্প। তার মতে, তেহরানকে অর্থনৈতিকভাবে আরও বিচ্ছিন্ন করা গেলে দেশটির ওপর চাপ বাড়বে এবং তারা আলোচনার টেবিলে আসতে বাধ্য হতে পারে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ট্রাম্পের একাধিক বিশ্বনেতার সঙ্গে বৈঠকেরও কথা রয়েছে। এসব বৈঠকে ইরান সংঘাতের পাশাপাশি ইউক্রেনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংকট নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপ এবং সংঘাতের সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগের মধ্যেই ট্রাম্প এই হুঁশিয়ারি দিলেন। তার ভাষণে একদিকে সামরিক চাপ বাড়ানোর বার্তা উঠে এসেছে, অন্যদিকে ভবিষ্যতে আলোচনার মাধ্যমে শান্তিচুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স